- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

ধনবাড়ী (টাংগাইল)প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের হাতিবান্ধা গ্রামের নারী লোভী লম্পট পাইস্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী কেলেংকারীর কারনে বহিকৃত প্রধান শিক্ষক মো: আসাদুজ্জামান মান্নান মাস্টার এর বিরুদ্ধে তার দ্বিতীয় স্ত্রী উপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
নারী কেলেংকারীা হোতা এই শিক্ষক নামের নরপশুর বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ নানা প্রমান নিয়ে অভিযোগ তুললেই অজ্ঞাত ক্ষমতার কারনে কেউ তার বিচার করেতে পারে না। কাগজ পত্র বানিয়ে দিয়ে এক শিক্ষিকা কে চাকরী দিয়ে তার সাথে নানা কেলেংকারি করে আজ দু জনই বিদ্যালয় ছাড়া। প্রধান শিক্ষক এর পদ না থাকার কারনে আসাদুজ্জমান মাস্টার আজ দিশে হারা। নানা কথার মধ্যই আজ মাস্টারের প্রথম স্ত্রী থাকা সত্যেও পছন্দ করা দ্বিতীয় স্ত্রী নারী কেলেংকারির কল রের্কড করেছে বলে বিভিন্ন মিডিয়াতে ফাস হওয়ার ঘটনাটি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর উপর সন্দেহ করে তার স্ত্রীর উপর নানা ভাবে নির্যাতন করে আসছে। এক পর্যায়ে দ্বিতীয় স্ত্রী কে তার বাবার বাড়ী হতে মোটা অংকের টাকা এনে দিতে বলছে তার বিদ্যালয়ের নারী কেলেংকারী ঘটনাটি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য।
অসহায় স্ত্রী পিতার বাড়ী হতে টাকা না এনে দেওয়ার কারনে তাকে শারীরিক ভাবে শরীরের গোপন অঙ্গ সহ নানা যায়গায় বিভিন্ন সময় নির্যাতন করেন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে স্ত্রী প্রতিবাদ করলে স্ত্রী কে কৌশলে স্ত্রীর অজানন্তে তার নামে তালাক নামা লিখে লম্পট স্বামী গত ২১ মে দিন গত রাতে স্বামী আসাদুজ্জামান,তার মা ,দুই বোন মিলে তার কাছ থেকে তালাক নামায় সই নেওয়ার চেষ্ঠা করে। এমন অবস্থায় সই না দেওয়ার কারনে তাকে তার স্বামী প্রকাশ্য দিবালকে তার গোপন অঙ্গ সহ সারা শরীরিরে বেদম প্রহার করে। এমন অবস্থায় মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়লে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এলাকার মানুষ তাকে উদ্ধার করে মাথায় পানি দিলে তার জ্ঞান ফিরে।
আরও ভিডিও দেখুন ধনবাড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপের সময় নারীসহ আটক ৫
এমন অবস্থায় পাষন্ড স্বামী তাকে বাড়ী থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এলাকার মানুষের সহযোগীতায় ৯৯৯ জাতীয় নাম্বারে কল করলে ধনবাড়ী থানা পুলিশ মাস্টারের স্ত্রী কে বাড়ীতে রেখে আসে। পুলিশের খবর শুনে নারী লোভী লম্পট একাদিক বিবাহিত আসাদুজ্জামান মাস্টার গাঁ ঢাকা দেয়। ঘটনায় আরও জানা যায় গত ২০১৫ সালের ২২ নভেম্ব মাসে সরকারি রেজি:কাবিন মূলে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসাবে বিবাহ করেন। তাদের দামপত্য জীবনে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। মাস্টারের দ্বিতীয় স্ত্রীর এর আগেই আরও একটি বিবাহ হয়েছিল। সেই ঘরে দুটি মেয়ে আছ। আর সেই মেয়ের বরন পুষন করে দিবে এবং সেই সংসারে স্বামী কে তালাক দিয়ে সেই সংসার ভেংঙ্গে আসাদুজ্জামান মাস্টার এর ঘরে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসাবে ঘরে তুলেন। আসাদুজ্জামান মাস্টার এর নির্যাতনে আজ অসহায় হয়ে পরেছে আসাদুজ্জামানের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি আজ সাংবাদিকদের জানান, আমার বাবা মা কেউ নেই, সকলেই মরে গেছে। আমি নানার বাড়ীতে মানুষ হয়েছি। আজ আমাকে এই বাড়ী থেকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাড়িয়ে দিলে আমি কোথায় গিয়ে কার পাশে দাড়াব। আজ আমি বড় অসহায় । আমাকে যে নির্যাতন করেছে আমার স্বামী তাতে আমার মৃত্যু ছাড়া আর কোন উপায় নেই। শুধু সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে আছি।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.