- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

কক্সবাজারে এক নারী পর্যটককে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট বলেছেন, তদন্তকালে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে, যা কাম্য নয়।
আদালত বলেছেন, ভুক্তভোগী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন। এই পর্যায়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দুঃখজনক। ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য এলে পরে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন হলেও মানুষের মনে নানা রকম ধারণা হতে পারে।
মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে শুনানিকালে এই মন্তব্য করেন আদালত।
আদালতে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
শুনানিতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, কক্সবাজারের ঘটনায় পুলিশ ও র্যাবের বক্তব্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। তাদের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য গণমাধ্যমে এসেছে। তাই ২২ ডিসেম্বরের ওই ঘটনার বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশনা চাচ্ছি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, তদন্তের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি এজেন্সি আরেকটি এজেন্সিকে সহযোগিতা করতে পারে। তবে তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তাদের কথা কম বলাই ভালো।
কক্সবাজারে পর্যটককে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগের ওই ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে সোমবার রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূইয়া রাসেল রিটটি দায়ের করেন। রিটে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপের নির্দেশনার পাশাপাশি রুল চাওয়া হয়েছে।
রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ ছয়জনকে রেসপনডেন্ট (বিবাদী) করা হয়েছে।
গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি ও হত্যার ভয় দেখিয়ে এক নারী পর্যটককে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পেয়ে রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র্যাব। পরদিন ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন। প্রধান আসামি আশিকুর রহমান আশিকসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.