টাংগাইলের হাবলা ইউপি নির্বাচনে ব্যাপক প্রচারণায় সুমন খান: জনসেবায় গড়তে চান নতুন মডেল

সিঁদুর ঘোষ রাজকুমার | স্টাফ রিপোর্টার | টাঙ্গাইল:

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন তরুণ ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক মুখ সুমন খান। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে নানা উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন তিনি। তার এই নিরলস পদচারণায় এলাকাবাসীও তাকে ঘিরে বুনছেন নতুন স্বপ্ন।

জনসেবা ও সামাজিক উন্নয়ন: সামাজিক সেবামূলক কাজে নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োজিত রেখেছেন এই তরুণ নেতা। জনসেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়ে সুমন খান বলেন, “জনসেবা করতে হলে একটি সুনির্দিষ্ট পদ-পদবি প্রয়োজন হয়, যার মাধ্যমে মানুষের সেবা করার দুয়ার আরও উন্মোচিত হয়। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আমার মনের মতো করে ইউনিয়নটির উন্নয়ন করতে চাই।”

ইতোমধ্যেই তিনি হাবলা ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে ঘুরে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান ও গণঘাটলা নির্মাণে সহায়তা করাসহ গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনার দুঃসময়ে দরিদ্রদের নিয়মিত খাদ্য সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং এতিমখানার ছাত্রদের পোশাক (পাঞ্জাবি-পায়জামা) উপহার দিয়ে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

রাজনৈতিক বর্ণাঢ্য পরিচয়: দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সুমন খান দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক পরিচয়গুলো হলো:

  • যুগ্ম আহ্বায়ক: জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, টাঙ্গাইল জেলা শাখা।

  • সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক: সরকারি সা’দত কলেজ শাখা ছাত্রদল, করটিয়া।

  • সিনিয়র সহ-সভাপতি: জিয়া মঞ্চ, টাঙ্গাইল জেলা।

ত্যাগের মূল্যায়ন ও ধানের শীষের প্রত্যাশা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এই নেতা। দলের প্রতি নিজের ত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দলের চরম দুঃসময়ে হাবলা ইউনিয়নে আমরা হাতেগোনা কয়েকজন ছিলাম বিএনপির কাণ্ডারি। দল করতে গিয়ে আমি বহুবার মামলা ও হামলার শিকার হয়েছি। আশা করি, আমার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগের কথা বিবেচনা করে দল আমাকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে মনোনয়ন দেবে।”

সবশেষে সুমন খান ইউনিয়নবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “এলাকার সব বয়সের মানুষ আমাকে অনেক ভালোবাসেন। সবার স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আজীবন এই হাবলা ইউনিয়নবাসীর পাশে থেকে ছায়ার মতো সেবা করে যাব।”

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.