- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি ঃজামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবৈধ ক্যাবল নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল রুম বন্ধে প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষিত হয়েছে বলে জানা গেছে। গত রোববার সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম কন্ট্রোল রুমটি বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন।
উপজেলা প্রশাসন ও অভিযোগ কারী সুত্রে জানা গেছে-সরিষাবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের আব্দুল কদ্দুছ এর ছেলে সুমন মিয়া বন্ধু ক্যাবল নেটওয়ার্ক দৌলতপুর,জগন্নাথগঞ্জ পুরাতন ঘাট,সরিষাবাড়ী নামে প্রায় দুই বৎসর যাবৎ অবৈধভাবে ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।এ দিকে একই এলাকার বৈধ ক্যাবল নেট ব্যবসায়ী সুজাউল হক,তার এস,এস ক্যাবল নেটওয়ার্ক,যাহার বিটিভি লাইসেন্স নং সি-২১৯। রেজিঃ নং ১৪১৮। যাহার মেয়াত ৩১ডিসেম্বর’২০১৯ইং। অবৈধ ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসা পরিচালনাকারী সুমন মিয়ার ব্যাবসা বন্ধের জন্য দি চেম্বারস অব কর্মাস এ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি জামালপুরের সভাপতি রেজাউল করিম রেজনুর নিকট সহ পুলিশ সুপার জামালপুর, জেলা প্রশাসক জামালপুর, সদর দপ্তর লাইসেন্স কন্ট্রোলার বাংলাদেশ টেলিভিশন, বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।এ প্রেক্ষিতে বন্ধু ক্যাবল নেটওয়ার্ক দৌলতপুর,জগন্নাথগঞ্জ পুরাতন ঘাট,সরিষাবাড়ী কে নোটিশের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিয়ে তার নিকট উক্ত ব্যবসার কাগজ পত্র দেখতে চান। পরে সুমন মিয়া তার ক্যাবল নেট ব্যাবসার বৈধ কোন কাগজ পত্র দেখাতে সক্ষম হননি। তাই সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুর ইসলাম ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যাবসায়ী সুমন মিয়াকে তার ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসার সমস্ত মালামাল যাহা মাঠ পর্যায় থেকে গুটিয়ে নিয়ে একস্থানে রাখার নির্দেশ প্রদান করেছেন। তিনি আরো নির্দেশ করেন যে বৈধ কাগজ পত্র সংগ্রহ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বন্ধু ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ সহ ক্যাবল নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল রুম চালু রাখলে মালামাল জব্দ করার কথাও জানিয়ে দেন।
আরোও জানা গেছে সুমন মিয়ার অবৈধভাবে কেবল নেট বন্ধের জন্য বৈধ কেবল নেটওয়ার্ক ব্যাবসায়ী সুজাউল হকের বিভিন্ন এলাকায় সংযোগ লাইন জোর করে দখল নেয়া সহ তাহাকে নানা ভাবে হুমকি অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গেছে।
