লালপুরের কদিমচিলান উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধুকে জানো-মুক্তিযোদ্ধাকে জানো’ সাক্ষাৎকারে ভুয়ামী

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের লালপুর উপজেলার কদিমচিলান উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে জানো ও মুক্তিযোদ্ধাকে জানো’ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের ভুয়ামীর অভিযোগ উঠেছে। ২৮ সেপ্টেম্বও তারিখে ওই বিদ্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী এবং তা কদিমচিলান উচ্চ বিদ্যালয়ের ফেসবুক আইডি থেকে প্রচার করা হয়। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সেখানে কোনো মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ/প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার কোনো আপনজন ও প্রত্যক্ষদর্শী কেউ উপস্থিত ছিলোনা। অথচ এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের নিয়ম ছিলো, মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ/প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার কোনো আপনজন ও প্রত্যক্ষদর্শী এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে সরাসরি স¤পৃক্ত থাকবে।

প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মাসুদ রানা সোহেল জানান, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখানে ভুয়ামী করেছে। শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার সম্পর্কে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ স¤পর্কে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ধারণা লাভ করতে পারেনি। তার কারণ হিসেবে ওই মুক্তিযোদ্ধা তনয় জানান, যে শিক্ষক সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তিনি একজন পিচ কমিটির নেতার সন্তান। তার দ্বারা শিক্ষার্থীরা সঠিক কোন তথ্য পাবে বলে মনে হয় না। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারাও একইভাবে এমন সন্দেহ পোষণ করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াজেদ আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এটা আমরা এমনি এমনি করেছি। পরে আমরা ভিডিও করে নেটে ছাড়বো । এখন যেটা হয়েছে এটা তেমন কিছুইনা। এ ধরণের শিক্ষা বা সাক্ষাৎকার আমাদের কাছে মামলী বিষয় উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক থাকলেই এটা চালিয়ে নেয়া যাবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বা বিরোধীর লোক এখানে মূখ্য বিষয় নয়।

কদিমচিলান ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা মাস্টার বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি এ ধরণের ভুয়ামী করে থাকেন তবে তারা তা ঠিক করেননি। সরকারের সঠিক নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব পালন করা উচিত।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.