টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বড়‘ র মিথ্যা মামলায় ছোট ভাই গ্রেফতার

টাংগা্নইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের দরিয়ামপুর গ্রামের মেছের আলীর দুই ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বড় ভাই হাসান আলী ও ছোট ভাই আঃ সামাদ এর সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলচ্ছিল। আঃ ছামাদ বলেন আমার জমি আমি কলাবাগান করিয়াছি । এই জমি জোর পূরবক বেদখলের পাইতারা চালাচ্ছে তার বড় ভাই হাসান আলী। আ: ছামাদ বলেন, আমার পরিবারের উপুর মিথ্যা মামলা করে জোড় পূর্বক মাটি কাটতে আসে এবং আমার পরিবারকে প্রান নাশের হুমকি দিলে আমি নিজের পরিবার এর নিরাপত্তার সার্থে আইনগত ব্যবস্থা নেই। আদালতের নোটিশ আশার দিন রাতেই আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে বিবাদীগন আমার ঘর দোয়ার ভাংচুর করা সহ আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর করে। আমার স্ত্রীর গলায় থাকা একটা ৩৫ হাজার টাকার চেন ছিনিয়ে নিযে যায়। আমাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে আমাদের কে উদ্ধার করে।

পূর্ব শত্রুতা জেরে আ: ছামাদের নিজস্ব কলাবান রাতের আধারে কলাবাগান কাটেন তার বড় ভাই ও তার বাহাম ভুক্ত লোকজন মিলে কলাবাগান কেটে ফেলে বলেন অভিযোগ করেন আ: ছামাদ। আব্দুস ছামাদের কলা বাগান তার ভাই কাটলেও কৌশল করে নিজেদের কুকর্ম ঢাকার জন্য ছোট ভাই আ: ছামাদ ও সন্তান যারা ঢাকায় অবস্থান করছে তাদেরকে আসামী করে মিথ্যা মামলায় দিয়েছে জানান আঃ ছামাদ ।

আঃ ছামাদ আরও বলেন উক্ত কলাগান নিজের দখলে নেওয়ার জন্য আমার বড় ভাই হাসান আলী আদালতে একটি মিথ্যা ১৪৪ ধারা মামলা করেন। মামলার পরেও কৌশলে কলাবাগান কাটার সাজানো নাটক করে আমার বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ সহ আমার কলাবাগান আমি কেটেছি বলে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মূল ঘটনা কে আড়ার করার জন্য নাটক করে মামলা করেন। আ: ছামাদ বাদী হয়ে টাংগাইল আদালতে ২ টি মামলা করে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য্ সেই মামলার আসামীরা হলেন হাসান আলী (৫৭) পিতা,মৃত মেছের আলী। ২।হনুফা বেগম (৫০) স্বামী,হাসান আল ০৩।আলম (২৫)পিতা,হাসান আলী ০৪।সুজন (২২)পিতা,হাসান আলী। সর্ব সাং দয়ারামপুর বিবাদীগণ মামলার খবর শুনার পড়ে বেপড়ুয়া হয়ে আ: ছামাদ এর বাড়ীতে হামলা চালায়, যাবার সময় বলে যায় আজকের এর মতো বেচে গেলি। মামলার বাদী আ: ছামাদ বলেন, আমার পরিবারের লোকজন শান্তি প্রিয় আইনমান্যকারী শ্রেনীর মানুষ। পক্ষান্তরে ২য় পক্ষগণ একই বাহাম ভূক্ত অত্যান্ত দাঙ্গা বাজ ও চাদাবাজ এবং লাঠীয়াল শ্রেণির মানুষ ।২য় পক্ষগণের সহিত দীর্ঘদিন যাবত আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলিয়া আসিতাছে । তৎপ্রেক্ষিতে ২য় পক্ষগণ সর্বধা আমার পরিবারের ক্ষতি করিবার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এমতবস্থায় ঘটনার তারিখ বিগত শুক্রবার সকাল অনুমান ১০ ঘটিকায় আমি আমার বসতবাড়ী হইতে বাহির হইয়া দরিরামপুর মৌজার আমার মালিকানাদীন বি.এস ২৪৪ নং দাগের জমিতে আমার রোপনকৃত কলাবাগান কেটে ফেলা হয়। ঘটনা বহু সাক্ষী আছে। উল্লেখ্য আমাকে কিংবা আমার পরিবারের লো্কজন বতমানে নানা হুমকীর মুখে আছে।
এ ব্যাপারে আব্দুস ছামাদ বাদী হয়ে ১০৭ ধারা বিধান মোতাবেক মামলা দায়ের করেন। আব্দুস সামাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং দেশবাসীর কাছে সঠিক বিচার চান।

হাসান আলীর আরেক ভাই আজমত আলী জানান, আমার এই বড় ভাই হাসান আলী আমার পরিবারের উপর নির্যাতন করে আামার বাব দাদার ভিটা ছাড়া করিয়াছে । আমি আমার ভাইয়ের সঠিক বিচার চাই। যাতে এরকম ঘটনা আর না ঘটে। সঠিক বিচার হলে এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ হয়ে থাকতে পারবে। ভাইঘাট বাজারের ব্যবসাহি সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার অবসর প্রাপ্ত মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, বলেন হাসান আলী সেতো ভালো মানুষ না। সে সকল অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকে। তার জায়গা জমি নিয়ে আমি অনেক বার বিচার করিয়াছি। তার ছোট ভাই আজমত আলীর জমি লিখে নিয়েও তার ওপর মিত্থ্যা মামলা দিয়েছিল। আমি ওসি সাহেব কে বলে সেই মামলা সমাপ্তি করি। আব্দুস সামাদ একজন মাদ্রাসার শিক্ষক একজন ভালো সৎ মানুষ। তাকে এবং তার পরিবারের সকলকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির মধ্যে রাখছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। এ প্রসঙ্গে ৫ নং ধোপাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আকবর হোসেন আ: ছামাদরে উপর যে মামলা তার বড় ভাই হাসান আলী করেছে তাহা সঠিক না। আমার মনে হয় না আব্দুস ছামাদের ছেলেরা কলাবাগান কাটবে, কারণ তারা তো বাড়িতেই থাকেনা।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকার লোক জন জানান,এলাকার মধ্য হাসান আলী এক জন্য ভূমি ক্ষেকু। এলাকার মানুষ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এখন। প্রতিদিন ভাইদের সাথে মারামারি আর জমি দখল মামলা করে চলচ্ছে এই মামলা বাছ দয়ারামপুর গ্রামের মেছের আলীর এই ছেলে হাসান আলী। এলাকাবাসীর দাবি পুশিষ সঠিক তদন্ত করে প্রতিবেদন দিলে হাসান আলী জেল খানায় যাব।
আমরা চাই হাসান আলীর শাস্থি হোক।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.