১৬ বছরের সংসারের পর উধাও ২ সন্তানের জননী!

বান্দরবানের লামা পৌরসভা এলাকার সাবেক বিলছড়ি মার্মা পাড়ায় স্বামী-সন্তান ফেলে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী ২ সন্তানের এক জননী। যাওয়ার সময় স্বামীর ঘরে রক্ষিত নগদ টাকাসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় ওই গৃহবধূ। স্ত্রী ক্রাজাইন মার্মার খোঁজ না পেয়ে উদ্ধারের জন্য থানায় লিখিত আবেদন করেছেন স্বামী মংহ্লা মার্মা।

সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে লামা পৌরসভা এলাকার সাবেক বিলছড়ি মার্মা পাড়ার বাসিন্দা মংহ্লা মার্মার সঙ্গে বিয়ে হয় পারিবারিকভাবে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়ার বাসিন্দা মংহ্লাচিং মার্মার মেয়ে ক্রাজাইন মার্মার। বর্তমানে তাদের ঘরে দুইটি সন্তান রয়েছে। ইতোমধ্যে পৌরসভা এলাকার রাস্তার কাজে নিয়োজিত শ্রমিক বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো. ময়েন উদ্দিনের ছেলে মো. রেজাউলের সাথে ক্রাজাইন মার্মার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর জের ধরে গত ৩১ জানুয়ারি বেলা ২টার দিকে রেজাউল ক্রাজাইন মার্মাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় স্বামী মংহ্লা মার্মার ঘর থেকে নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ও আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় ক্রাজাইন মার্মা। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করেও গৃহবধূ ক্রাজাইন মার্মাকে আর পায়নি।

ভুক্তভোগী মংহ্লা মার্মা বলেন, রেজাউল আমার স্ত্রী, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে। এখন আমার ২টি সন্তান তাদের মায়ের পথ চেয়ে অঝোরে চোখের পানি ফেলছে। স্ত্রীকে আমাদের কাছে ফিরে পেতে থানার আশ্রয় নিয়েছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় একাধিকবার চেষ্টা করেও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লামা থানার এসআই মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রেজাউল নামের একটি ছেলের সাথে পরকীয়া করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মংহ্লা মার্মার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী ক্রাজাইন মার্মা পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তসহ গৃহবধূ ক্রাজাইন মার্মাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.